আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পদস্থ কর্মকর্তা বারাছা বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছে যে, প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রটি ইমিগ্রান্ট অফিসের পার্শ্ববর্তী স্থানে এবং দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি ইমাম হুসাইন (আ.) ও হযরত আবুল ফাজলিল আব্বাস (আ.) এর রওজা হতে ৭শত মিটার দূরে অবস্থিত আল কোরাইশ হোটেলে আঘাত হানে।
তিনি বলেন: গতরাতে চালানো এ হামলায় অন্তত ৬ জন যায়ের শহীদ ও অপর ৩০ জন আহত হয়েছেন। হামলার সাথে সাথে এ্যাম্বুলেন্সসহ সাহায্যকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
নিরাপত্তা বিভাগীয় এ কর্মকর্তা জানান: কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মীরা অপর তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে যেগুলো ইমাম হুসাইন (আ.) এর মাযার লক্ষ্য করে ছোঁড়ার জন্য প্রস্তুত ছিল।
হজ্জ ও যেয়ারত অধিদপ্তরের জনসংযোগ বিভাগের এক কর্মকর্তা আবনাকে জানিয়েছেন যে, এ হামলায় কোন ইরানি যায়ের হতাহত হয়নি এবং উক্ত শহরে উপস্থিত ইরানিরা সকলেই সুস্থ আছে।
ইরাকে অবস্থানরত হজ্জ ও যেয়ারত অধিদপ্তরের প্রতিনিধি’র বরাত দিয়ে এ কর্মকর্তা আরো জানিয়েছেন যে, এ দু’টি ক্ষেপণাস্ত্র কারবালার শহরের জনাকীর্ণ একটি স্থানে আঘাত হানে এবং এতে কোন প্রকার ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
অথচ স্বতন্ত্র সংবাদ সংস্থা, কারবালায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং তাতে ৬ জন শহীদ হওয়ার সত্যতা শিকার করেছে।
ইরাক হতে প্রাপ্ত অপর খবরে বলা হয়েছে আজ সকালে বাগদাদে অবস্থিত সাদর উপশহরে এক বিস্ফোরণে ৫ জন ইরাকী নিহত এবং অপর ১৩ জন আহত হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ১৫ই শা’বান হযরত ইমাম মাহদী (আ.) এর পবিত্র জন্মবার্ষিকী লক্ষ লক্ষ যায়েরদের উপস্থিতিতে কারবালা শহরে উদযাপিত হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকে বেশ কয়েকদিন পূর্ব হতে পায়ে হেটে কারবালা অভিমূখে রওনা হয়ে কারবালায় পৌঁছেছে। এছাড়া ইরাকের প্রতিবেশী দেশসমূহ হতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যায়ের এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে কারবালা শহরের অবস্থিত ইমাম হুসাইন (আ.) ও হযরত আবুল ফাজলিল আব্বাস (আ.) এর মাজার উপস্থিত হয়।#